প্র/বা/সী/র স্ত্রী দুই সন্তান রেখে প্রে/মি/কের সাথে…See More

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় দুই নাবালিকা সন্তানকে রেখে এক গৃহবধূ পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে প্রবাসী স্বামীর ঘর থেকে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে ওই গৃহবধূর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেলের দিকে ঘটনার বিষয়ে সাংবাদিকদের জানান প্রবাসী ছেলের বাবা বাবুল মিয়া। এর আগে বুধবার (২৬ আগস্ট) রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল্লাহপুর গ্রামের মো. বাবুল মিয়ার ছেলে জাফর মিয়া দীর্ঘদিন ধরে জীবিকার প্রয়োজনে দুবাই প্রবাসী। প্রায় ১২ বছর আগে তিনি সদর উপজেলার চিনাঈর চাপুইর গ্রামের বাদশা মিয়ার মেয়ে মোছা. হামিদা আক্তারের (৩০) সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের সংসারে দুটি ছেলে সন্তান রয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, জাফর মিয়া প্রবাসে থাকার সুযোগে হামিদা আক্তার একই এলাকার মো. দিপু চৌধুরীর (২২) সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। ঘটনার দিন রাতে হামিদা আক্তার শ্বশুরবাড়ির ঘরের কাঠের শোকেস থেকে দুই ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার- যার আনুমানিক মূল্য ৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা, এবং জমি বন্ধকের জন্য রাখা নগদ ২ লাখ টাকা নিয়ে দুই সন্তানকে বাড়িতে রেখে দিপু চৌধুরীর সঙ্গে পালিয়ে যান।

অভিযোগে আরও বলা হয়, হামিদা আক্তার বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় স্থানীয় কয়েকজন তাকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তিনি ভয়ভীতি ও হুমকি দেন। পরে তার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

ঘটনার পর বিষয়টি আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয় সর্দারদের জানানো হয়। পরে এ ঘটনায় হামিদা আক্তারের বিরুদ্ধে আখাউড়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেন তার শ্বশুর মো. বাবুল মিয়া।

স্থানীয় বাসিন্দা মনির হোসেন বলেন, মেয়েটি কীভাবে অবুঝ দুই সন্তানকে রেখে পালিয়ে গেল, সেটাই আমাদের কাছে অবাক লাগছে। একজন প্রবাসী কতটা কষ্ট করে উপার্জন করেন, সেই কষ্টের মূল্যও সে বুঝল না। দুই সন্তানকে মায়ের স্নেহ থেকে বঞ্চিত করে এভাবে চলে যাওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক।

এ বিষয়ে আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ উল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Author: Jago Dhaka

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *