স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী ব্যক্তি ও ইউপি সদস্য আবেদুর রহমান আবেদের মধ্যস্থতায় একটি সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ধর্ষণের মতো গুরুতর অভিযোগের ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের জন্য ৯০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয় বলে জানা গেছে।
কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, নির্ধারিত ওই ৯০ হাজার টাকার পুরোটা ভুক্তভোগী পরিবার পায়নি। তাদের হাতে মাত্র ২০ হাজার টাকা তুলে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। বাকি ৭০ হাজার টাকা কোথায় গেল—তা নিয়ে এলাকায় দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন।
ভুক্তভোগী পরিবারের ভাষ্য, তারা দরিদ্র ও অসচ্ছল। মামলা পরিচালনার ব্যয় বহন করার মতো আর্থিক সক্ষমতা তাদের নেই। এই অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে যদি কোনো গুরুতর অপরাধকে সালিশের মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা করা হয়ে থাকে, তাহলে বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
এ বিষয়ে মাধবপুর থানার ওসি সোহেল রানা জানান, তারা ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত হয়েছেন। তবে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো লিখিত কোনো অভিযোগ দেওয়া হয়নি। অভিযোগ পেলে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
⚖️ ধর্ষণের মতো গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ কি অর্থের বিনিময়ে গ্রাম্য সালিশে মীমাংসা করা যায়?
একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরীর প্রতি এমন অভিযোগ সত্য হলে, বিষয়টি সালিশে মীমাংসা না করে সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াই প্রত্যাশিত।
🔴 তবে সালিশে টাকা নির্ধারণ, ২০ হাজার টাকা দেওয়ার এবং বাকি ৭০ হাজার টাকা নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছে—এসবেরও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।