সংসদে মা’ননীয় স্পি’কার না’রী ম’ন্ত্রির ব’ক্তব্য শুনেই…see more

সংসদে নারী এমপির বক্তব্য শুনেই স্পিকারের হস্তক্ষেপ, যা ঘটল অধিবেশনে
জাতীয় সংসদের অধিবেশনে একজন নারী সংসদ সদস্য বক্তব্য দেওয়ার সময় মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের কথাবার্তা বলার বিষয়টি স্পিকারের আসনে থাকা ডেপুটি স্পিকারের নজরে আসে। পরে বক্তব্য যাতে সবার কাছে পরিষ্কারভাবে শোনা যায়, সে জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের আস্তে কথা বলার অনুরোধ করেন তিনি।

সোমবার জাতীয় সংসদে জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশের ওপর আলোচনা চলাকালে ঘটনাটি ঘটে। ওই সময় সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানা বক্তব্য দিচ্ছিলেন। তাঁর বক্তব্য চলার সময় ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে নিজেদের মধ্যে কথা বলতে দেখা যায়। বিষয়টি ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের নজরে আসে।

এরপর ডেপুটি স্পিকার মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে বলেন, তারা যেন বসে আস্তে কথা বলেন, যাতে সংসদে বক্তব্য দেওয়া নারী সংসদ সদস্যের কথা শোনা যায়। তাঁর এই হস্তক্ষেপের পর সংসদে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে এবং আলোচনা চলতে থাকে।

সংসদীয় অধিবেশনে একজন সদস্য যখন বক্তব্য দেন, তখন অন্য সদস্যদের মনোযোগ দিয়ে বক্তব্য শোনা এবং প্রয়োজনীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে জনগুরুত্বপূর্ণ কোনো বিষয়ে আলোচনা হলে বক্তব্য যেন পরিষ্কারভাবে রেকর্ড ও শুনতে পাওয়া যায়, সেটিও সংসদীয় কার্যক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

সাম্প্রতিক সময়ের সংসদ অধিবেশনেও নারী সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন বিষয়ে বক্তব্য দিতে দেখা গেছে। ৭ সেপ্টেম্বর ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আলোচনার সময় সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু বক্তব্য দেন এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের ভূমিকা নিয়ে মন্তব্য করেন।

অন্যদিকে, সংসদে বক্তব্যের সময় মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের পারস্পরিক কথাবার্তা নিয়ে ডেপুটি স্পিকারের এমন হস্তক্ষেপও দেখিয়ে দেয় যে অধিবেশন পরিচালনার ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা ও বক্তব্য শোনার পরিবেশ নিশ্চিত করাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনার বিষয় হতে পারে, বিশেষ করে নারী সংসদ সদস্যের বক্তব্য চলার সময় ডেপুটি স্পিকারের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপের কারণে। তবে পুরো ঘটনাকে ঘিরে অতিরঞ্জিত কোনো দাবি না করে সংসদে আসলে কী ঘটেছে, সেটিই গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।

সব মিলিয়ে, সংসদে নারী সংসদ সদস্যের বক্তব্য চলাকালে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের কথাবার্তার শব্দ কমিয়ে দেওয়ার জন্য ডেপুটি স্পিকারের অনুরোধই ছিল ঘটনার মূল বিষয়। এরপর পরিস্থিতি স্বাভাবিকভাবে সংসদীয় কার্যক্রমে ফিরে যায়।

Author: Jago Dhaka

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *