কৃপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সামান্য চুরির অপবাদ দিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ!
একজন মানুষের সম্মান, নিরাপত্তা ও মর্যাদা কখনোই কারও ব্যক্তিগত প্রস্তাব গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যানের ওপর নির্ভর করতে পারে না। ছবিকে ঘিরে যে অভিযোগ সামনে এসেছে, তা সত্য হলে বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। অভিযোগ অনুযায়ী, একটি প্রস্তাবে রাজি না হওয়াকে কেন্দ্র করে এক তরুণীকে সামান্য চুরির অপবাদ দিয়ে অপমান, হয়রানি ও নির্যাতন করা হয়েছে। শুধু কারও পছন্দের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার কারণে তাকে হেয় করা কিংবা মিথ্যা অভিযোগে জড়ানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
একজন নারী হোক কিংবা পুরুষ—নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার সবারই রয়েছে। কারও প্রস্তাবে সম্মতি না দেওয়া অপরাধ নয়, আর সেই কারণে প্রতিশোধ নেওয়া বা সামাজিকভাবে হেয় করার চেষ্টা আরও বড় অন্যায়।
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে আবেগের বশে সিদ্ধান্তে না গিয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য, প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য এবং নির্ভরযোগ্য প্রমাণ যাচাই করা জরুরি। অভিযোগ সত্য হলে দোষীদের যথাযথ আইনি ব্যবস্থা ও জবাবদিহির আওতায় আনা প্রয়োজন। একই সঙ্গে নির্যাতনের শিকার ব্যক্তির নিরাপত্তা ও সম্মান নিশ্চিত করাও জরুরি।
প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করা অপরাধ নয়—কিন্তু প্রত্যাখ্যানের প্রতিশোধ হিসেবে অপমান ও নির্যাতন কখনোই মেনে নেওয়া যায় না।