এই মহিলাটা কি করছে জানেন?? হসপিটালের ইসিজি রুমে যেখানে তার নিজের বাবার হার্টের কন্ডিশন মাপা হচ্ছে, সেখানে এই মহিলা ব্যস্ত নিজের সম্পত্তির কন্ডিশন ঠিক করতে……!🙂
নিউজে দেখলাম, অসুস্থ বুড়ো বাপকে হসপিটালে আনা হইছে চিকিৎসার বাহানায় কিন্তু আসলে ইসিজি রুমের আড়ালে জমির দলিলে সই নিতেছে! তাও নিজের মেয়ে এই কাজটা করতেছিলো। ভাই যাতে না জানে তাই চুপিচুপি করতেছিলো এই কাজটা।
ডাক্তার নাকি নার্স জানি না, ঠিক টাইমে দেখে না ফেললে তো নিঃশব্দে গেম ওভার করে দিতো। আবার চোরের মায়ের বড় গলা, ধরা খেয়ে মহিলা চিল্লাপাল্লাও করতেছে!
ভাই, দুনিয়াটা আসলেই কই গিয়ে ঠেকলো? জীবনের শেষ সময়ে তার পাশে বসে দুটো ভালোবাসার কথা বলবে, যত্ন করবে তা না, হসপিটালের বেডেও টাকার গন্ধ শুঁকে দলিল নিয়ে হাজির! ছেলে-মেয়েরা নাকি সব উচ্চ শিক্ষিত। কিন্তু লাভ কী হইলো? বড় বড় ডিগ্রি নিয়া যদি মানুষই হইতে না পারলো, তবে ওই শিক্ষার দাম দুই পয়সাও না।💔
আর আইনগতভাবেও এরা যে কত বড় মূর্খ, সেটা একটু ক্লিয়ার করি।
বাংলাদেশ দণ্ডবিধি ও ভূমি আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি শারীরিক বা মানসিকভাবে ফিট না থাকেন এবং নিজের ভালো-মন্দ বোঝার অবস্থায় না থাকেন, তবে তার থেকে জোর করে বা ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল করে নেওয়া কোনো সই, টিপসই বা হেবা দলিলের কোর্টে কোনো আইনি ডাক্তার যদি একবার লিখে দেয় যে রোগী সই করার মতো সচেতন বা সুস্থ মাইন্ডে ছিলেন না, তবে ওই দলিল স্রেফ এক টুকরো আবর্জনা। উল্টো জালিয়াতি আর জোরজবরদস্তির অপরাধে ওই মেয়ের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা হতে পারে।
ভিডিওটাতে শুধু ওই অসহায় মুরব্বির মুখের দিকে তাকিয়ে ছিলাম। উনার চেহারার মধ্যকার ওই অসহায়ত্ব আর কষ্টটা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না।দুনিয়াটা আসলেই পুরোপুরি সম্পদ পাগল হয়ে গেছে।ভাই, ম**র সময় তো এক ইঞ্চি জমিও সাথে করে নিয়ে যাইতে পারবেন না, তাহলে এই সামান্য মাটির টুকরোর জন্য নিজের ইমান-বিবেক বিক্রি করার কী মানে?🙂